খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ইউনাইটেড পিপলস
ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির
(জেএসএস) মধ্যে স্থানীয় ও নির্ভরযোগ্য সূত্রের দাবি, এ সংঘর্ষে অন্তত চারজন ইউপিডিএফ সদস্য
নিহত হয়েছেন। তবে ইউপিডিএফ এই দাবিকে ‘মিথ্যা ও অপপ্রচার’ বলে
প্রত্যাখ্যান করেছে।গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বহু হতাহতের আশঙ্কা করা
যাচ্ছে।
শুক্রবার (২৫ জুলাই) রাতে উপজেলার ডুলুছড়ি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়া বলেন, নাড়াইছড়ি
এলাকায় ইউপিডিএফ ও জেএসএস-এর মধ্যে গোলাগুলির খবর পেয়েছি। প্রায় ৩০০ থেকে
৪০০ রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত
হতাহতের কোনো খবর আমরা পাইনি।
এ বিষয়ে ইউপিডিএফ সংগঠক অংগ্য মারমা বলেন,
এমন কোনো সংঘর্ষের বিষয়ে আমি জানি না। যদি এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটে, আমরা
আমাদের দলের পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তা জানিয়ে থাকি।
উল্লেখ্য, পার্বত্য চট্টগ্রামের
বিভিন্ন অঞ্চলে আঞ্চলিক দলগুলোর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক
নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সংঘাত ও সহিংসতার ঘটনা ঘটছে। নাড়াইছড়ির
সাম্প্রতিক গোলাগুলির ঘটনায় পুনরায় ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।