মনির খান স্টাফ রিপোর্টার।
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার গিলাতলা গ্ৰামের
জিয়াউর রহমান খানের মেয়ে জেসমিন বেগম (৩৫) কে গত ১২ ডিসেম্বর রাত ১০ টার দিকে একই গ্ৰামের মৃত্যু হারেজ মোল্লার ছেলে প্রবাসীর রিপন মোল্লা জেসমিন বেগমের ঘরে প্রবেশ করে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে। ইতি মধ্যে বাড়ির লোকজন ঘটনাটি জেনে ফেলে তখন ঘটনার আলাদা মোড় নেয়। এবং স্থানীয় কায়দায় মিমাংসার চেষ্টা করে।
জেসমিন বেগম বলেন, প্রায় ৭ বছর ধরে রিপন মোল্লার সাথে আমার ফোনালাপের মধ্যে দিয়ে ভালো বাসার সম্পর্ক হয়। রিপন মোল্লা আমাকে বিবাহের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করেছে ।

এর আগে রিপন মোল্লা বিদেশ থেকে মোবাইল ফোনে ভিডিও কলে নগ্ন ছবি দেখাইয়া ও আমার নগ্ন ছবি দেখাতে বাধ্য করিয়া শারীরিক ভাবে যখম করে। তারই ধারাবাহিকতায় গত ১২/১২/২০২৫ ইং তারিখ রাত্র অনুমান ১০.০০ ঘটিকার সময় আমাদের বসত বাড়ির দক্ষিন পোতার বসত ঘরের সামনে আসে এবং আমাকে ডেকে দরজা খুলতে বলে। আমি বিয়ে করা ছাড়া তাহার সাথে মেলামেশা করতে সম্মত না হইলে সে জোর করে আমার শয়ন কক্ষে ঢুকিয়া আমার ঘরে আসিয়া আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক আমাকে ধর্ষন করে। আমি ইজ্জত রক্ষার জন্য ডাকচিৎকার দিলে আমার চিৎকার শুনিয়া আমার মা বড় ভাই রবিন-সহ আশে পাশের লোকজন উক্ত ঘরে প্রবেশ করিয় নগ্ন অবস্থায় 'আমাকে ও রিপন মোল্লা কে একত্রে পায়। মান ইজ্জতের কারনে আশে পাশের লোকেরা আমার মা, ভাই রিপন মোল্লা কে বিয়ে করার জন্য চাপদিলে সে আমাকে বিবাহ করতে সম্মত হয়। গ্রামবাসী ম্যারেজ মৌলভী ডাকিতে গেলে ঐ দিকে লম্পট রিপন মোল্লা দ্রুত পালাইয়া যায়। এ ব্যাপারে গ্রামবাসী সহ আশ পাশের লোকজন জ্ঞাত রয়েছে। রিপন মোল্লা আমাকে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে নানা প্রকার প্রলোভন দেখাইয়া আমার ইচ্ছার বিরদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষন করিয়াছে। আমি ধর্ষক রিপন মোল্লার নামে লোহাগড়া থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছি এবং নড়াইল সদর হাসপাতালে শারীরিক পরিক্ষা করায়াছি ।
আমি প্রশাসনের কাছে ধর্ষক রিপন মোল্লার বিচার চাই।