ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁও-২ আসনের আলোকবর্তিকা নাহিদ রানা: উদীয়মান তরুণ নেতা এবি পার্টির ঈগল প্রতীকে মনোনীত প্রার্থী

  • প্রকাশের তারিখ : নভেম্বর ১২, ২০২৫ ইং | ০২:০৪:১০ পিএম
  • ৩৪৭ বার পঠিত
  • শেয়ার করুনঃ
ad728
শিক্ষক, গবেষক, কবি ও সমাজসেবক হিসেবে নাহিদ রানা এখন জনআকাঙ্ক্ষার প্রতীক ঠাকুরগাঁও, ১২ নভেম্বর ২০২৫ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-২ আসনে এবি পার্টির পক্ষ থেকে প্রভাষক নাহিদ রানা মনোনয়ন পেয়েছেন। তিনি একজন তরুণ শিক্ষাবিদ, গবেষক, কবি, আইনজীবী ও মানবিক সংগঠক হিসেবে ইতিমধ্যেই ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেছেন। 

এবি পার্টির প্রতীক “ঈগল” — যার প্রতীকে তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষকে নিয়ে উড়তে চান উন্নয়নের নতুন উচ্চতায়।  শিক্ষাজীবন ও পেশাগত পথচলা নাহিদ রানা একাডেমিকভাবে সফল ও অনুপ্রেরণাদায়ী এক ব্যক্তিত্ব। তিনি একজন কলেজের প্রভাষক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা দান করছেন নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি একজন আইনজীবী হিসেবেও কাজ করছেন, যাতে সমাজে ন্যায় ও ন্যায্যতার মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা পায়। তাঁর ব্যক্তিত্বে মিশে আছে জ্ঞান, যুক্তি ও মানবতার সমন্বয়। 

সাহিত্য ও গবেষণায় অবদান সাহিত্যপ্রেমী নাহিদ রানা ইতিমধ্যেই নিজের লেখনী দিয়ে বাংলা ও ইংরেজি সাহিত্যাঙ্গনে বিশেষ অবস্থান তৈরি করেছেন। তাঁর দুটি কাব্যগ্রন্থ — “Dreams Unleashed, Happiness Blooms” (ইংরেজি কবিতা সংকলন) একটি বাংলা কাব্যগ্রন্থ, যেখানে তিনি সমাজ, প্রেম, মানবতা ও সময়ের ভাষা দিয়েছেন কবিতায়। এছাড়া তাঁর দুটি গবেষণা প্রবন্ধ আমেরিকার আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে, যা বাংলাদেশের তরুণ গবেষকদের জন্য এক অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত। সমাজসেবা ও মানবিক কর্মকাণ্ড নাহিদ রানা প্রতিষ্ঠা করেছেন “Panacea Welfare Foundation” — একটি মানবিক ও উন্নয়নমূলক সংগঠন। এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তিনি শিক্ষা, নারী-উন্নয়ন, দরিদ্র মানুষের পুনর্বাসন এবং তরুণদের দক্ষতা বিকাশে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর লক্ষ্য, ঠাকুরগাঁওয়ের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ যেন নিজেদের অবস্থান থেকে আলোকিত হতে পারে। তিনি বিশ্বাস করেন, সমাজ পরিবর্তন শুরু হয় নৈতিকতা, শিক্ষা ও সহমর্মিতা থেকে — আর সেই পরিবর্তনের পথেই তিনি হাঁটছেন প্রতিদিন। অর্জন ও স্বীকৃতি নাহিদ রানা তাঁর বহুমাত্রিক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৫ সালে “মাদার তেরেসা অ্যাওয়ার্ড” লাভ করেন। এ পুরস্কার তাঁর মানবিক ও সমাজসেবামূলক কর্মযজ্ঞের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হয়। রাজনীতিতে পদার্পণ ও দর্শন দীর্ঘদিনের শিক্ষকতা, গবেষণা ও সমাজসেবার অভিজ্ঞতা থেকে তিনি উপলব্ধি করেছেন — “নীতিহীন রাজনীতি নয়, দায়িত্বশীল রাজনীতি দরকার।” এই উপলব্ধি থেকেই তিনি যোগ দেন এবি পার্টিতে, যে দলটি দায় ও দরদের রাজনীতি করার অঙ্গীকারে বিশ্বাসী।  

তাঁর রাজনৈতিক লক্ষ্য তিনটি মূলমন্ত্রে প্রতিষ্ঠিত— সততা ও স্বচ্ছতা, জনকল্যাণ ও ন্যায্যতা, তরুণ ও নারীর ক্ষমতায়ন। নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-২ আসনে এবি পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নাহিদ রানা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁর নির্বাচনী প্রতীক “ঈগল” — যা শক্তি, দৃষ্টি ও উচ্চতাকে প্রতিনিধিত্ব করে। নাহিদ রানা বলেন: “ঈগল পাখির লক্ষ্য মিস হয় না, আমারও লক্ষ্য— ঠাকুরগাঁওকে স্বচ্ছ, সমৃদ্ধ ও শিক্ষিত আসনে রূপান্তর করা।” তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন — নির্বাচিত হলে শিক্ষা, কৃষি, নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি খাতকে পুনরুজ্জীবিত করবেন। তাঁর অঙ্গীকার — “রাজনীতি হবে মানবতার জন্য, উন্নয়ন হবে জনগণের হাতে, আর ক্ষমতা হবে নৈতিকতার প্রতীক।” নাহিদ রানা আজ ঠাকুরগাঁও-২ আসনের মানুষের কাছে শুধু একজন প্রার্থী নন, বরং এক আশার প্রতীক, আলোকবর্তিকা। তাঁর চিন্তা, চরিত্র ও চেতনা— সবই নির্মল এক বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি বহন করে। যেমনটি তিনি নিজেই বলেন — “আমি রাজনীতিতে এসেছি ক্ষমতার জন্য নয়, দায়িত্বের জন্য; জনগণের ভরসা হব, ঠাকুরগাঁওয়ের প্রতিটি মানুষের কণ্ঠ হব।”


সবার আগে সকল নিউজ পেতে গুগল নিউজে ফলো করুন।

কমেন্ট বক্স