ঢাকা | বঙ্গাব্দ

লোহাগড়ায় ইজিবাইক চালক কে বেধড়ক মারপিট করে, হাত পা ভেঙ্গে ইজিবাইক ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে

  • প্রকাশের তারিখ : জানুয়ারী ৫, ২০২৬ ইং | ০৫:৩১:০০ পিএম
  • ৬৭৫ বার পঠিত
  • শেয়ার করুনঃ
ad728
মনির খান ষ্টাফ রিপোর্টার।

নড়াইলের লোহাগড়া পৌরসভার রাজুপুর গ্ৰামের খানে খোদা ঈদগার পাশে ইজিবাইক চালক দুলু শেখ নামের একজনকে বেধড়ক মারপিট করে হাত পা ভেঙ্গে ইজিবাইক ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। 

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, গত ৪ জানুয়ারি রবিবার বেলা ৩ টার দিকে পৌরসভার রাজুপুর গ্ৰামের ছোট জাহাঙ্গীর মন্ডলের ছেলে রাকিব মন্ডল (২৭) ও তার সাথে থাকা ৩/৪ জন মিলে লোহার রড ও কাঠের বাটাম দিয়ে ইজিবাইক চালক দুলু শেখকে বেধড়ক মারপিট করে হাত পা ভেঙ্গে দিয়েছে। আহত ইজিবাইক চালক দুলু শেখ দিঘলিয়া ইউনিয়নের নোয়াগ্ৰামের সিরু শেখের ছেলে। 

দুলুর ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে   লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে  ভর্তি করেন।বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন। 
অভিযুক্ত রাকিব মন্ডলের সাথে কথা হলে সে বলেন, দুলু শেখের কাছে আমি ১০০ শত পিস মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেটের ( নিষিদ্ধ নেশা জাতীয় দ্রব্য) টাকা বাবদ ১৭ হাজার টাকা পাওয়ার দাবী করে। 

ইজিবাইক চালক দুলুর সাথে কথা হলে তিনি বলেন রাকিব আমাকে রিজার্ভ করে দিঘলিয়া যাওয়ার কথা বলে রাজুপুর গ্রামের খানেখোদা নামক স্থানে এনে রাকিব সহ ৩/৪ জন বেধড়ক মারপিট করে হাত,পা ভেংগে দিয়েছে। আমি কোন মাদক ব্যাবসা করি না। আমাকে ফাসানোর জন্য মিথ্যা কথা বলেছে।

ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলেন রাজুপুর গ্ৰামের সাবেক কাউন্সিলর জিল্লুর রহমান সহ অনেকে।  
পরবর্তীতে এই ঘটনাকে অন্য খাদে প্রবাহিত করতে, আহত দুলু শেখকে পুজি করে দিঘলিয়া ইউনিয়নের কিছু লোক ঘটনা স্থল বাটিকাবাড়ি কবরস্থান দেখানোর চেষ্টা করছে।

ঘটনার স্থান বাটিকাবাড়ি  দেখিয়ে গ্ৰামের নিরীহ সাধারণ মানুষের  নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে জানা যায়।

কিন্তু ঘটনার স্থান ছিল লোহাগড়া ,পৌর শহরের রাজুপুর গ্ৰামের খানে খোদা ঈদগাহ এলাকায়- ইয়াবা ট্যাবলেট কেনা বেচার টাকা নিয়ে। 

 রাজুপুর গ্রামের সাবেক কাউন্সিলর জিল্লু সহ   প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আমাদের সামনে রাকিব মন্ডল ও তার সাথে থাকা ৩/৪ জন মিলে ইজিবাইক চালক দুলু শেখ কে মারধর করে আহত করেছে বলে সাংবাদিকদের বলেন। 
তারা আরো বলেন শুনেছি ইয়াবা ট্যাবলেট বেচা কেনা নিয়ে তাকে মারধর করে ইজিবাইক ছিনিয়ে নিয়েছে। তদন্ত করে আইনের ব্যাবস্থা নেওয়ার দাবী করছি। 

লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রহমান বলেন এখননো আমরা কোন লিখিত অভিযোগ পাই নাই।অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইন গত ব্যাবস্থা নিবো। আর মাদকের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স।


সবার আগে সকল নিউজ পেতে গুগল নিউজে ফলো করুন।

কমেন্ট বক্স