দলের খারাপ সময়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে হয় অধিনায়ককে। নিজে ভালো খেলে প্ররোচিত করতে হয় সতীর্থদের। কিন্তু এমন এক সময়ে সিরিজ রক্ষার লড়াইয়ে নামছে বাংলাদেশ, যখন না আছেন অধিনায়ক ফর্মে, না ফর্মে আছে দল! টি-টোয়েন্টিতে টানা ছয় ম্যাচ হারের ধারায় বাংলাদেশ।
তবু ম্যাচের আগে লড়াইয়ের কথা বলতে হয়। তবে কাল বাজে ফর্মে থাকা লিটন নয়, সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে বাঁচা-মরার ম্যাচে লড়াই করার আশাবাদ ব্যক্ত করলেন প্রধান কোচ ফিল সিমন্স। জাতীয় দলের এই ক্যারিবিয়ান কোচ বললেন, ‘আগের ম্যাচে যেসব জায়গায় ভালো করতে পারিনি, সেসব জায়গায় উন্নতি করাই লক্ষ্য আমাদের।’ কোথায় কোথায় ভালো করতে হবে, সংক্ষেপে তা-ও জানালেন সিমন্স, ‘আমাদের আরও বেশি রান করতে হবে, প্রথম ছয় ওভারে আরও ভালো খেলতে হবে। একটা নির্দিষ্ট মান ধরে খেলতে পারলেই প্রতিপক্ষের সঙ্গে টেক্কা দেওয়া সম্ভব। এখন সেটাই লক্ষ্য আমাদের।’
কোচ মুখে যতই লড়াইয়ের কথা বলুন, তিনিও জানেন, একের পর এক ম্যাচ হারে দলের আত্মবিশ্বাস তলানিতে এসে ঠেকেছে। অন্যদিকে প্রতিপক্ষ আরও বেশি প্রত্যয়ী। মানসিকভাবে এগিয়ে থাকা লঙ্কানদের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়াতে হলে বাংলাদেশকে নিজেদের সেরাটাই খেলতে হবে—এটা বোঝার জন্য রকেট বিজ্ঞানী হওয়া লাগে না। কিন্তু প্রশ্ন হলো বাংলাদেশ দলের সামর্থ্যের পুরোপুরি দিতে পারার ক্ষমতা নিয়ে! ভঙ্গুর ওপেনিং, ছন্নছাড়া মিডল অর্ডার, হতশ্রী বোলিং—সব মিলিয়ে ‘সর্বাঙ্গে ব্যথা’ দলের কোথায় ওষুধ দিতে হবে, সেটাই বোঝা কঠিন।
তার ওপর আজকের ম্যাচের ভেন্যু ডাম্বুলা। পাহাড়-হ্রদে ঘেরা ডাম্বুলায় আট বছর পর পা রাখল বাংলাদেশ। এই মাঠে আগে কখনো টি-টোয়েন্টি খেলেনি বাংলাদেশ। এখানে পাঁচটি ওয়ানডে খেলার অভিজ্ঞতা আছে। ২০১৭ সালের মার্চে এই মাঠে তামিম ইকবালের সেঞ্চুরিতে একটা ম্যাচ জেতার সুখস্মৃতিও আছে। একই মাঠে পরের ম্যাচটি ছিল বৃষ্টিবিঘ্নিত। ফল না আসা সেই ম্যাচে তাসকিন আহমেদ করেছিলেন হ্যাটট্রিক। ডাম্বুলা আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের পিচ সাধারণত স্পিন-বান্ধবই হয়ে থাকে। ম্যাচের সময় যত গড়ায়, উইকেট ততই ধীরগতির হয়ে পড়ে। পরশু পাল্লেকেলে থেকে ডাম্বুলায় আসার পর অনুশীলন করেনি বাংলাদেশ। গতকাল রাতে অনুশীলন করেছে বাংলাদেশ। সেই অনুশীলনের আগেই সংবাদ সম্মেলনে আসায় পিচ নিয়ে কোনো ধারণা দিতে পারেননি সিমন্স। তবে শ্রীলঙ্কা দল মনে করে, পাল্লেকেলের মতো ডাম্বুলার উইকেটেও রান থাকবে।
দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির বাংলাদেশ দলে পরিবর্তন আসতে পারে। ঊরুর চোটে পড়ে প্রথম ম্যাচে খেলা হয়নি লোয়ার অর্ডার ব্যাটার জাকের আলীর। আজ তাঁর খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। আগের দিন কোচ শুধু বললেন, রাতের অনুশীলনে তাঁর অবস্থা এবং উইকেট দেখে পরে ঠিক করবেন, জাকেরকে খেলাবেন কি না।
বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শুরু হবে ম্যাচ। সে সময় ডাম্বুলায় ২৫ শতাংশ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। ম্যাচটি সরাসরি দেখাবে টি স্পোর্টস।
প্রফেশনালিজমে আমার কাছে কোনো ছাড় নেই
- নিউজ প্রকাশের তারিখ : নভেম্বর ২১, ২০২৫ ইং | ১০:৪৭:২৩ পিএম
- ৪১২ বার পঠিত
- শেয়ার করুনঃ
অনুষ্ঠিত হল রোডসাইড কিচেন স্বাধীন বাংলা ফুটবল টুর্নামেন্ট – সিজন ৩, পাওযার্ড বাই গিগাবাইট
- নিউজ প্রকাশের তারিখ : নভেম্বর ১২, ২০২৫ ইং | ০২:৫৬:২২ পিএম
- ৪৯৩ বার পঠিত
- শেয়ার করুনঃ

একসঙ্গে খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিরল কীর্তি গড়লেন বাবা-ছেলে
- নিউজ প্রকাশের তারিখ : নভেম্বর ৮, ২০২৫ ইং | ০৬:০৪:৪৩ পিএম
- ২৯৮ বার পঠিত
- শেয়ার করুনঃ
ক্রিকেটে বাবা-ছেলের খেলার ঘটনা নতুন নয়। শিবনারায়ণ চন্দরপাল– তেজনারায়ণ চন্দরপাল কিংবা সুনীল গাভাস্কার-রোহন গাভাস্কারের মতো আরও বেশ কিছু উদাহরণ রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাবা-ছেলের একই ম্যাচে খেলা, জুটি গড়া— এমন ঘটনা বিরলই বলা চলে।
এমনই বিরল ঘটনা ঘটেছে ইন্দোনেশিয়ায়। পূর্ব তিমুরের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচেই ঘটল এই কীর্তি। দলের হয়ে একসঙ্গে ব্যাটিং করেছেন বাবা সুহায়েল সাত্তার ও ছেলে ইয়াহিয়া সুহায়েল। চতুর্থ উইকেটে তাদের জুটি থেকে আসে মাত্র ২ রান। বাবার ব্যাট থেকে আসে ১৪ রান আর ছেলে ইয়াহিয়া থামেন ১ রানে।
ম্যাচ হারার পাশাপাশি ব্যাট হাতে বড় ইনিংস খেলতে না পারলেও ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছেন সুহায়েল ও ইয়াহিয়া। ভবিষ্যতে হয়তো আরও বাবা–ছেলেকে এক দলে খেলতে দেখা যাবে, তবে ‘প্রথম’ হয়ে থাকার সৌভাগ্য তো একবারই আসে।
এর আগে, মেয়েদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সুইজারল্যান্ডের মা-মেয়ে একসঙ্গে খেলেছেন। সুইজারল্যান্ড নারী ক্রিকেট দলের ৪৫ বছর বয়সী মেট্টি ফার্নান্দেজ ও তার ১৭ বছর বয়সী মেয়ে নায়না মেট্টি সাজু এ বছরের শুরুতে খেলেছেন একসঙ্গে ছয়টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।
বিপিএলে রাজশাহী স্টারের প্রধান কোচের নাম প্রকাশ
- নিউজ প্রকাশের তারিখ : নভেম্বর ৫, ২০২৫ ইং | ০৫:৪৩:০০ পিএম
- ৩২০ বার পঠিত
- শেয়ার করুনঃ
অবশেষে অনিশ্চয়তার অবসান। দীর্ঘ টানাপড়েনের পর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নবম আসরের দল চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে এবার বড় চমক—নেই বরিশাল ও কুমিল্লা! নতুন করে ফিরেছে রাজশাহী।
বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সভার পর পাঁচ ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা চূড়ান্ত করে বিসিবি। রংপুর রাইডার্সের মালিকানা পেয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপের টগি স্পোর্টস। চট্টগ্রাম ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা দেওয়া হয়েছে ট্রায়াঙ্গাল সার্ভিসকে। এ ছাড়া নাবিল গ্রুপ রাজশাহী, ক্রিকেট উইথ সামি সিলেট ও চ্যাম্পিয়ন স্পোর্টস (রিমার্ক-হারল্যান) পেয়েছে ঢাকা ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা।
বিপিএলে অংশগ্রহণ নিশ্চিত হওয়ার পরই কাজে নেমে পড়েছে রাজশাহী। দলটির প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন সাবেক জাতীয় ওপেনার ও বিসিবির সাবেক নির্বাচক হান্নান সরকার। বর্তমানে বিসিবির অনূর্ধ্ব-১৭ দলের প্রধান কোচ হিসেবে কাজ করছেন তিনি। এর আগে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) আবাহনীকে চ্যাম্পিয়ন করিয়েছেন হান্নান। বিপিএলে কাজ করার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তার।
বিপিএলের প্লেয়ার্স ড্রাফট অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৭ নভেম্বর। টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ ১৯ জানুয়ারি, আর ফাইনাল হতে পারে ফেব্রুয়ারির ১৬ তারিখে।
বাতিল বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচ
- নিউজ প্রকাশের তারিখ : অক্টোবর ২৯, ২০২৫ ইং | ০৪:৫১:১৪ পিএম
- ২০৭ বার পঠিত
- শেয়ার করুনঃ
এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে আফগানিস্তানের সঙ্গে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলার কথা ছিল বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের। তবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি বাতিল করা হয়েছে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কম্পিটিশন কমিটির চেয়ারম্যান গোলাম গাউস গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আগামী ১৮ নভেম্বর এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে নিজেদের পঞ্চম ম্যাচে ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। সেই ম্যাচের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ১৩ নভেম্বর ঢাকায় আফগানদের সঙ্গে ম্যাচ খেলতে চেয়েছিল বাংলাদেশ। আফগানিস্তানও তাতে সাড়া দিয়ে সফরের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করেছিল। তবে হুট করেই নিজেদের সিদ্ধান্ত বদল করে তারা।
পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের দিন ঢাকার কিংস অ্যারেনায় এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে মিয়ানমারের বিপক্ষে খেলার কথা ছিল আফগানিস্তানের। কিন্তু মিয়ানমার বাংলাদেশ সফরে আসতে রাজি নয়। সে জন্য আফগানিস্তানও বাংলাদেশের সঙ্গে ম্যাচটি বাতিল করেছে।
বাফুফে অবশ্য ১৩ নভেম্বর ম্যাচ খেলার চেষ্টা করছে ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে। এরই মধ্যে দু-একটি দেশকে প্রস্তাবও দিয়েছে বাফুফে। এর মধ্যে নেপাল সবুজ সঙ্কেত নাকি দিয়েছে। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশ নেপাল সফর করেছিল দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলার জন্য। ৬ সেপ্টেম্বরের ম্যাচটি হলেও বাতিল করতে হয়েছিল ৯ সেপ্টেম্বরের ম্যাচ। নেপালের অস্থির পরিস্থিতির কারণে দ্বিতীয় ম্যাচটি হয়নি।
চিত্রাবাণী ডেস্ক